চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের অভিযোগ, অতীতে তিনি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দপ্তরে প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়াকে কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করেছিলেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফটোসেশন ঘিরে নতুন আলোচনা
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফটোসেশনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের ব্যাখ্যা সামনে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সাক্ষাৎ ও ছবি প্রকাশ অনেক সময় প্রশাসনিক অবস্থান সুদৃঢ় করার কৌশলের অংশ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
অতীত নিয়ে প্রশ্ন
কিছু প্রশাসনিক পর্যবেক্ষক দাবি করছেন, অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে জসীম উদ্দিনকে ঘিরে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। তাদের মতে, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
স্বচ্ছ তদন্তের দাবি
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হলে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
একজন প্রশাসনিক বিশ্লেষক বলেন,
“যদি অতীতের কোনো অনিয়ম বা বিতর্ক থেকে থাকে, তবে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জনআস্থা বজায় থাকবে।”
জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জননিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। তাই সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ ধরনের বিতর্ক দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রতিষ্ঠানের পেশাগত কার্যক্রম এবং জননিরাপত্তা ব্যবস্থা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
