দেশের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির উপস্থিতি এখন মাঠপর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি জানান—পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতই তাদের মূল লক্ষ্য।
চার জেলায় একযোগে বিজিবির দায়িত্ব পালনের ঘোষণা
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন—
“ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি।”
তার বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবিও মাঠে তৎপর রয়েছে, যাতে কোনো অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না হয়।
রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন—উদ্বেগ বাড়িয়েছে
গত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণ, সহিংসতার চেষ্টা, ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে।
এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, পাশাপাশি সড়কে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
বিশেষত ব্যস্ত এলাকা, মহাসড়ক, বাসস্ট্যান্ড ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এই ঘটনাগুলো বেশি দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনকে আরও সতর্ক করেছে।
সার্বিক নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও বাড়ানো হয়েছে টহল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন—
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
বিজিবি মোতায়েন—সংকট নিরসনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, পরিস্থিতি যেন আরও অবনতি না ঘটে, সে জন্য বিজিবি মোতায়েন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
চার জেলায় একযোগে বিজিবির উপস্থিতি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী যুক্ত করা হতে পারে।
