চট্টগ্রাম নগরের বহুল আলোচিত চকবাজারে সাজিদ হত্যা ঘটনায় দ্রুত অগ্রগতি এনে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলায় এই দ্রুত সফলতা এসেছে ওসির সার্বিক তদারকি ও দিকনির্দেশনায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলাটি ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই মোহাম্মদ মেহেদী হাসান সৈকতের ওপর। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি চকবাজারে সাজিদ হত্যা ঘটনার তদন্তে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর ওসির তদারকিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মূল হোতা বড় আয়মানসহ এনায়েত, মেশকাতুল কায়েম ও এনামুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলার এমন অগ্রগতি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চকবাজারে সাজিদ হত্যা ঘটনায় পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপ তাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৫টার দিকে চকবাজারে সাজিদ হত্যা ঘটনাটি ঘটে। ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার আমিন অ্যান্ড হাসান ম্যানশন ভবনের নিচতলায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন সাজিদ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই ওসি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিলে চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়। এসআই মেহেদী হাসান সৈকতের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে স্বল্প সময়েই আসামিদের গ্রেপ্তার সম্ভব হয়।
বর্তমানে চকবাজারে সাজিদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চকবাজারে সাজিদ হত্যা ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে।
